দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর উৎসবমুখর পরিবেশে সৌদি আরব, আমেরিকা ও কানাডাসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।
রবিবার সকালেই এসব দেশের মুসল্লিরা বিভিন্ন স্থানে একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পরে তারা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তির পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদুল নববীতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লিদের অংশগ্রহণে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ২০ লাখেরও বেশি মুসল্লি এই দুই মসজিদে ঈদের নামাজে উপস্থিত ছিলেন।
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এই মুসলমানদের বৃহত্তম এই উৎসব পালিত হয়ে থাকে। তবে দেশ ভেদে এবং ঐতিহ্য অনুসারে এই উৎসব উদযাপনের তারিখ পরিবর্তিত হয়।
কুয়েত এবং বাহরাইনও ধর্মীয় উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। তবে প্রতিবেশী ওমান, ইন্দোনেশিয়া এবং ব্রুনাই সোমবার ঈদ উদযাপন করবে। যুক্তরাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায় বিভক্ত, কেউ কেউ রবিবার ঈদ উদযাপন করছেন আবার কেউ কেউ সোমবার উদযাপন করবেন।
আমেরিকা ও কানাডাতেও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সেখানে বিভিন্ন মসজিদে ঈদের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রবাসী মুসল্লিদের ঢল নামে। এছাড়া, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে খোলা ময়দানে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়, যেখানে নানা দেশের মুসলিমরা একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।
ঈদুল ফিতর ইসলামী ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক উৎসব। আরব সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত রবিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দেয়।